থেলিস
সূর্য গ্রহণ সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বানী দেন।
লোড স্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন।
পিথাগোরাস
জ্যামিতিক উপপাদ্য সম্পর্কে ধারণা দেন।
তারের কম্পনের উপর অনেক কাজ করেন। তার এই কাজের ফলে বাদ্যযন্ত্র ও সঙ্গীত বিষয়ক স্কেল তৈরি হয়।
ডেমোক্রিটাস
পদার্থ একটা সীমা পর্যন্ত বিভাজন করা যায় তারপরে আর বিভাজন করা যায় না। এর নাম দেন এটম বা পরমাণু।
আর্কিমিডিস
আর্কিমিডিস লিভারের নীতি সম্পর্কে ধারণা দেন। তরলে নিমজ্জিত বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল উর্ধ্বমূখী বলের সূত্র আবিষ্কার করেন। এবং তিনি ধাতুর ভেজাল নির্ণয়ে সক্ষম হন।
তিনি গোলীয় দর্পনের সূর্যের রশ্মি কেন্দ্রভুত করে আগুন ধরানোর কৌশল জানতেন।
টলেমি
চোখ থেকে কোনো বস্তুর উপর আলো পড়ে বলে আমরা দেখতে পাই।
আল-মাসুদী
তিনি প্রকৃতির ইতিহাস সম্পর্কে একটা এনসাক্লোপিডিয়া লেখেন।
তার এই বইতে বায়ু কলের কথা পাওয়া যায়।
ইবনে আল হাইথাম
আল হাজেন
দুইজনে আলোক তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
আলহাজেন বলেন বস্তু থেকে আমাদের চোখে আলো আসে বলে আমরা দেখতে পাই। আতশি কাচ নিয়ে পরীক্ষা করেন। ফলে উত্তললেন্সের আধুনিক তত্ত্ব পরিষ্কার হয়।
রজার বেকন
পরীক্ষা মূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তা।
তার মতে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমে সব সত্য যাচাই করা উচিত।
লিউনার্দো দা ভিঞ্চি
পাখির উড়া দেখে উড়োজাহাজের মডেল তৈরি করেন।
তিনি একজন চিত্রশালার ছিলেন।
বলবিদ্যা সম্পর্কে তার জ্ঞান ছিল।
ডা.গিলবার্ট
চৌম্বক তত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা ও তত্ত্ব প্রদান করেন।
টাইকোব্রাহ
টাইকোব্রাহের পর্যবেক্ষণ লব্ধ দ্বারা কেপলারের সৌরজগত উপবৃত্তাকার তথ্য সম্পর্কে গানিতিক সূত্র গুলোর সত্যতা যাচাই করেন।
গ্যালিলিও
গ্যালিলিও ইতালির বিজ্ঞানী ছিলেন। তার হাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা ঘটে।
সরণ, গতি, ত্বরণ, সময় ইত্যাদির সংগা প্রদান ও এদের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করেন।
তিনি প্রথম দেখান যে, পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষণ এবং সুশৃঙ্খল ভাবে ভৌত রাশির সংগা প্রদান ও এদের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ বিজ্ঞানী কর্মের মূলভিত্তি।
বস্তু পতনের নিয়ম আবিষ্কার ও সৃতিবিদ্যার ভিক্তি স্থাপন করেন।
কেপলার
কোপার্নিকাস যে সৌর কেন্দ্রিক তত্ত্বের ধারণা উপস্থিত করেন কেপলার সেই ধারণার সাধারণ গানিতিক বর্ণনা দেন তিনটি সূত্রের সাহায্যে। কেপলার সৌর জগতে বৃত্তাকার কক্ষপথের পরিবর্তে উপবৃত্তাকার কক্ষ কল্পনা করেন।
স্নেল
আলোর প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার করেন।
ভন গুয়েরিক
বায়ু পাম্প আবিষ্কার করেন।
হাইগেন
দোলকীয় গতি পর্যালোচনা করেন।
ঘড়ির যান্ত্রিক কৌশল বিকাশ ঘটান।
আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন।
রবার্ট বয়েল
বিভিন্ন চাপে গ্যাসের ধর্ম বের করেন।
রবার্ট হুক
পদার্থের স্থিতিস্থাপক ধর্মের অনুসন্ধান করেন।
নিউটন
বলবিদ্যা ও বলবিদ্যার বিখ্যাত তিনটি সূত্র ও মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন।
আলোক তাপ ও শব্দ বিজ্ঞানে তার অবদান রয়েছে।
তিনি গনিতের নতুন শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেন।
রোমার
বৃহস্পতির একটি উপগ্রহের গ্রহন পর্যবেক্ষণ করে আলোর বেগ নির্ণয় করেন।
জেমস ওয়াট
বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরি করেন
হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়ের স্টেড
তিনি দেখান তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়া আছে।
ক্লর্ক ম্যাক্সওয়েল
১৮৬৪ সালে দেখান যে, আলো এক প্রকার তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ। তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে একীভূত করে তড়িৎ চৌম্বক তত্ত্বের বিলাশ ঘটান
হেনরিখ হার্জ
১৮৮৮ সালে তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ উৎপাদন করেন।
জগদীশ চন্দ্র বসু
তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের মাধ্যমে একস্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি প্রেরণ করতে সক্ষম হন। এভবে বেতার যোগাযোগ জন্ম লাভ করে।
মার্কনী
১৮৯৬ সালে অধিক দূরত্বে মোর্সকোড সংকেত পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
রনজেন, বেকরেল
এক্সরে আবিষ্কার ও ইউরেনিয়াম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
ম্যাক্সপ্ল্যাঙ্ক
বিকিরণ সম্পর্কে কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
আলবার্ট আইনস্টাইন
আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
রাদারফোর্ড
রাদারফোর্ড পরমাণু বিষয়ক নিউক্লীয় তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
নীলস্ বোর
হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তর বর্ণনা দেন।
ওটোহান, স্ট্রেস ম্যান
তারা দেখান যে নিউক্লিয়াস ফিশন যোগ্য। ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস প্রায় সমান ভর সংখ্যা বিশিষ্ট দুইটি নিউক্লিয়াস রূপান্তরিত হয় এবং নিউক্লিয়াসের ভরের একটি অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ফলস্রুতিতে জন্ম হয় নিউক্লীয় বোমা ও নিউক্লীয় চুল্লি হয়।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সত্যেন্দ্রনাথ বসু তান্ত্রিক পদার্থ বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।তার নাম অনুসারে এক শ্রেণি মৌলিক কণিকাকে বোসন বলা হয়।
চন্দ্রশেখর রমন
ভারতের নোবেন বিজয়ী এই পদার্থ বিজ্ঞানী রমন প্রভাব আবিষ্কার করেন।